75 / 100

৪৩ খৃষ্টপূর্বাব্দে রোমানরা বৃটেন (বর্তমান ইংল্যান্ড) দখলে নেয়ার আগে তা ছিলো কেল্টিক/সেলটিক জাতি ব্রাইটনদের আদি নিবাস। ব্রাইটন বা ব্রেথেরন থেকেই মূলত তাদের দেশের “বৃটেন” নামটা এসেছে। ব্রাইটনরা ঠিক কত বছর ধরে সেখানে ছিলো সেটা কেও জানে না। ধারণা করা হয় আর্যদের দুনিয়াব্যাপি বসতি স্থাপনের সময় থেকেই এরা এখানে বসবাস করছে।

পরবর্তী ৫০০ বছরের রোমান শাসনে রাজনৈতিক, সামরিক আর অর্থনৈতিক সবদিক থেকেই ব্রাইটনরা রোমানদের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিলো। বরং বলা চলে, রোমানরাই তাদের উঠে দাঁড়াতে দেয়নি৷

ভাইকিংস সিরিজের দৃশ্য

খৃষ্টিয় ৫ম শতাব্দীতে রোমের অভ্যন্তরীণ ঝামেলায় রোমান সেনাবাহিনী বৃটেন থেকে চলে আসে। তখন জার্মানি অঞ্চলের কিছু টিউটনিক উপজাতি- অ্যাংলোস, স্যাক্সন, জুটস, গথরা অভিযান চালিয়ে বৃটেন দখল করে নেয়। রোমান শাসনে ভঙ্গুর ব্রাইটনরা নিজেদের ভূমি রক্ষা করতে সক্ষম ছিলো না। জার্মানদের বর্বর হামলা থেকে পালিয়ে দক্ষিণ ওয়েলসের পার্বত্য অঞ্চলে আশ্রয় নেয় তারা৷ বৃটেনে শুরু হয় অ্যাংলো-স্যাক্সনদের যুগ।

দখলদার জাতি যখন দীর্ঘদিন ধরে বিজিত অঞ্চলে বসবাস করে তখন সেটা তাদেরই ভূমি হয়ে যায়। বৃটেন দখল করা জাতিগুলোর মধ্যে সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি ছিলো অ্যাংলো/অ্যাঙ্গল আর স্যাক্সনরা। তাই সেই অঞ্চলের নামই হয়ে যায় অ্যাঙ্গলদের ভূমি বা Anglalond। এই Anglalond বা Angleland থেকেই England নামের উৎপত্তি৷

এঙ্গলদের ভাষার নাম ছিলো Anglisko… সেখান থেকে দীর্ঘদিনে রূপান্তরিত হয়ে ভাষার নাম হয় Englisc, সেখান থেকে আসে বর্তমানের English.

এক জাতি থেকে ভিন্ন জাতি, দেশ ও ভাষার রূপান্তর অনেক দীর্ঘ প্রক্রিয়া। এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার এংলোরা একা ছিলো না।

৮
ভাইকিংস সিরিজের দৃশ্য

ওস্তাদের উপরেও ওস্তাদ আছে প্রমাণ করতে অষ্টম শতকের দিকে সমুদ্রপথে ইংল্যান্ড ভূমিতে যমদূতের মতো আবির্ভূত হয় স্ক্যান্ডিনেভীয়ান ভাইকিংরা!

ভাইকিংরা অত্যন্ত শক্তিশালী যোদ্ধা এবং নৌবিদ্যায় পারদর্শী ছিলো। অ্যাংলো-স্যাক্সনরা তাদের সামনে একপ্রকার দাঁড়াতেই পারে নি৷

ছোট ছোট দলে আক্রমণ করে লুটপাট চালিয়ে তারা আবার সমুদ্রে মিলিয়ে যেতো। অনেকে তাদের সামুদ্রিক দৈত্য-দানব বলেও ভাবতো।

অবস্থা এমন দাঁড়ায় অনেক ইংরেজ রাজা ভাইকিংদের কাছে তাদের ভূমি ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় আক্রমণ ঠেকানোর জন্য।

যে অ্যাংলো-স্যাক্সনরা ২০০ বছর আগে আক্রমণ করে ইংল্যান্ড দখল করেছিলো, তাদেরই ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা হয়ে যায় ভাইকিং আক্রমণে।

সম্পদ লুটপাটের লোভ, নতুন ভূমি জয়ের নেশায় বাড়ন্ত ভাইকিং শক্তি ইংল্যান্ড পেরিয়ে প্যারিস পর্যন্ত আক্রমণ চালায় একটা সময়।

সামুদ্রিক ঝড়ের মতো কয়েকটা ভয়ংকর হামলায় প্যারিস প্রায় হাতছাড়া হয়েই গেছিলো।

অতঃপর ফ্রান্সের রাজা চার্লস দ্য সিম্পল ফ্রান্সের বিরাট ভূমি ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে ভাইকিংদের সাথে চুক্তি করে। রক্ষা পায় প্যারিস।

৪
ভাইকিংস সিরিজের দৃশ্য

ফ্রান্সের উত্তর অংশের বিরাট ভূমি চলে যায় ভাইকিং দখলে।
ভাইকিংরা নর্স প্যাগান ধর্মের অনুসারী ছিলো। ওরা আসতোও ইউরোপের উত্তর দিক থেকে। সেই নর্স এর ল্যাটিন উচ্চারণ নর্থ থেকে উত্তরের ইংরেজি নর্থ। আর তাদের বলা হতো নর্সম্যান। নর্সম্যান থেকে নর্থম্যান, সেখান থেকে আসে নরম্যান।

নরম্যানদের ফ্রান্সের উত্তর অংশ দিয়ে দেওয়া হয়। নরম্যানদের বসতি থেকে সেই অঞ্চলের নাম হয়ে যায় নরম্যান্ডি। যা ফ্রান্সের বর্তমান নরম্যান্ডি প্রদেশ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রবাহিনীর ডি-ডে ল্যান্ডিংয়ের জন্য বিখ্যাত স্থান।

কোন অঞ্চল দখল করে নেওয়া শক্তি মূলত নিজেদের ধর্ম, সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেয় সে অঞ্চলে।
যেমন- মুসলিমরা যে অঞ্চল জয় করেছে সেখানে ইসলাম ধর্ম, সংস্কৃতির প্রসার ঘটেছে।
কলোনিয়াল যুগে ইংরেজরাও এই কাজ করেছে।

কিন্তু ভাইকিংদের বেলায় এর উল্টোটা ঘটেছে। শারীরিক শক্তি ছাড়া এদের শিক্ষাদীক্ষা তেমন ছিলো না। এই বুনো ভাইকিংরা ফ্রান্সে এসে তারা খৃষ্টান ধর্ম দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বা রাজনৈতিক কারণে খৃষ্ট ধর্ম গ্রহণ করে নেয়। নিজেদের ভাষা বাদ দিয়ে ফরাসি ভাষা গ্রহণ করে। ফরাসি মেয়েদের বিয়ে/যুদ্ধপরবর্তী লুটে আনা ফরাসি মেয়েদের ধর্ষণের মাধ্যমে পুরোপুরি ফরাসিদের সাথে মিশে যায়। ফরাসিদের সংস্কৃতি, শিক্ষা, ভাষা, ধর্মের সাথে ভাইকিংদের দুর্ধর্ষ যোদ্ধা মনোভাব মিশে পরবর্তী এক শতকে আরও দুর্ধর্ষ এক জাতিতে পরিণত হয় তারা।

এরমাধ্যমে ইউরোপে ভাইকিং ইনফ্লুয়েন্সও কমে যায় ধীরে ধীরে।

৩
ভাইকিংস সিরিজের দৃশ্য

ফরাসি স্পর্শে এসে সভ্য(!?) হলেও নরম্যানরা পুরোনো আক্রমণাত্মক স্বভাব ছাড়তে পারেনি। তারা ১০৬৬ সালে আক্রমণ চালিয়ে ইংল্যান্ডের সিংহভাগ দখল করে নেয়। ডিউক অব নরম্যান্ডি উইলিয়াম, ব্যাটল অব হাস্টিংসে ইংরেজ রাজা হ্যারল্ডকে পরাজিত করে ইংল্যান্ড দখল করে নেয়। ইংরেজ ইতিহাসে উইলিয়ামকে “উইলিয়াম দ্য কনকোয়েরার” হিসেবে বলা হয়। আর এই ঘটনা “দ্য নরম্যান কনকোয়েস্ট” নামে পরিচিত।

এরপর নরম্যানরাই মূলত লন্ডনকে রাজধানী করে ইংল্যান্ডকে প্রথম কেন্দ্রীয় শাসনের আওতায় আনে। এর আগে ইংরেজরা বিভিন্ন ছোট ছোট রাজ্যে ছন্নছাড়া অবস্থায় ছিলো।
ইংরেজ সমাজে ফরাসি আধিপত্য শুরু হয়। উচ্চ শ্রেণির লোকেরা কথা বলতো ফরাসি ভাষায়।
নরম্যান শাসন প্রতিষ্ঠার পর ধীরে ধীরে এংলিস্কো-ফরাসি-ল্যাটিন ভাষার জগাখিচুরি পাকিয়ে দীর্ঘদিন পর আধুনিক ইংরেজি ভাষার জন্ম হয়৷

ইউরোপের বিভিন্ন সাম্রাজ্যে ভাইকিং যোদ্ধাদের বিশেষ কদর ছিলো। ডাকাতি ছেড়ে তারা এসব সেনাবাহিনীতে উচ্চবেতনে চাকরি শুরু করে। ক্রুসেডার বাহিনীতেও ভাইকিং সেনাদের বিশেষ অবদান ছিলো।

বিখ্যাত লেখক হেনরি রাইডার হ্যাগার্ডের “দ্য ওয়ান্ডারার্স নেকলেস” গল্পের নায়ক ওলাফ দ্য রেডসোর্ডও একজন স্ক্যান্ডিনেভিয়ান নর্স যোদ্ধা। সেখান থেকে জানা যায় বাইজেন্টিয়াম সেনাবাহিনীতে রোমান-আর্মেনিয়ান রেজিমেন্ট সমমাপের প্রভাবশালী ও শক্তিশালী রেজিমেন্ট ছিলো ভাইকিং রেজিমেন্ট।

ইউরোপের ইতিহাস বদলে দেয়ার মতো হুলুস্থুল কান্ড ঘটানোর পেছনে সবচেয়ে বেশি অবদান একজন মানুষের।
নাম র‍্যাগনার লর্থব্রুক। তিনিই সবার আগে ভাইকিং সমাজে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ইংল্যান্ড আসার স্বপ্ন দেখান।

নর্স প্যাগান ধর্মে বিশ্বাসী স্ক্যান্ডিনেভিয়ানদের বিশ্বাস ছিলো পশ্চিম সমুদ্রের ওপাড়ে কিছুই নেই। দৈত্য দানবের বসবাস। কিন্তু র‍্যাগনার অভিনব নৌবিদ্যা আবিষ্কারের মাধ্যমে সবার সামনে প্রমাণ করে দেয় সমুদ্রের ওপাড়ে আছে ঐশ্বর্যমণ্ডিত ইউরোপ! যেখানে গেলে রাশিয়ার চেয়েও বেশি ধনসম্পদ আহরণ করা সম্ভব। র‍্যাগনারই ভাইকিংদের মাঝে ইউরোপে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপনের বীজ বপন করেন।

র‍্যাগনারের ইউরোপ বদলে দেওয়া অভিযানের রোমাঞ্চকর কাহিনী নিয়েই “ভাইকিংস” সিরিজের শুরু।

নোংরা রাজনীতি, অন্ধ ধর্মবিশ্বাস, আর্লের (স্থানীয় শাসক) শোষণ, বিরোধীতা সব মিলিয়ে র‍্যাগনারের জন্য ইংল্যান্ড অভিযানে আসাটা সহজ ছিলো না।

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চল যথেষ্ট অনুর্বর। টিকে থাকাও অনেক কঠিন। চাষবাস, পশুপালন আর মাছ ধরার বাইরে বছরের নির্দিষ্ট সময় দলবেঁধে ডাকাতি করাই ছিলো ওদের কাজ। টিকে থাকার এই কঠিন পরিস্থিতিই ভাইকিংদের ভয়ংকর যোদ্ধা হিসেবে গড়ে দিতো।

সিরিজে ভাইকিংদের জীবনযাত্রা, নৌকা তৈরীতে পারদর্শীতা, শিল্প-সংস্কৃতি, তাদের বিশ্বাস, সমাজব্যবস্থা ও ধর্ম, তাদের সমাজে নারীদের শক্তিশালী অবস্থান অত্যন্ত বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

এবং পুরো সিরিজে আরও কিছু গভীর বিষয়ের খুঁটিনাটি দেখানো হয়েছে যেগুলো পরবর্তীতে ইউরোপ তথা ইংল্যান্ডের সামগ্রিক ব্যাবস্থায় প্রচুর পরিবর্তন এনেছিলো।

র‍্যাগনার ছাড়াও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ভাইকিং চরিত্র, যেমন আইভার দ্য বোনলেস, হুব্বা (Ubbe), বিয়র্ন আয়রনসাইড, নরম্যান্ডির প্রথম ভাইকিং ডিউক রোলোর চরিত্র অত্যন্ত আকর্ষনীয় ভাবে তুলে ধরা হয়েছে পুরো সিরিজে।

নর্স প্যাগান ধর্ম, তাদের বিশ্বাস আর খৃষ্টান ধর্মের ব্যাপারে অনেক কিছু খুঁটিনাটি দেখানো হয়েছে। ধর্মীয় অজ্ঞতার কুফলও দেখানো হয়েছে।

মানুষ যা অন্তর থেকে বিশ্বাস করে তার কাছে সেটাই সত্য। পৃথিবীর প্রতিটি ধর্মই শান্তির কথা বলে। ধর্ম প্রশ্নবিদ্ধ তখনই হয় যখন মানুষ ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের জন্য ধর্মকে ব্যাবহার করে।

স্পেন আক্রমণে যখন একটা মসজিদে প্রবেশ করে ভাইকিংরা, তখন সকলেই নামাজে গভীরভাবে মগ্ন। কিং হ্যারল্ডের ভাই হাফডান তলোয়ারের এক কোপে ইমামের মাথা কেটে নিলেও মুসলিমরা নামাজ থেকে সরে যায়নি। পেছন থেকে একজন এগিয়ে এসে ইমামের জায়গায় নামাজ চালিয়ে নেয়৷
কতটা শক্ত ইমানদার ছিলো তারা ❤

ধর্মের প্রতি, নামাজের প্রতি মুসলিমদের একাগ্রতা, কঠোর ইমান দেখে প্রভাবিত “ফ্লোকি দ্য বোটবিল্ডার” নামাজরত মুসলিমদের হত্যা করতে দেয়নি। খুন খারাপি যা আছে সব বাইরে… মসজিদে না!

প্রতিটা কেন্দ্রীয় চরিত্র সকল ধর্মের প্রতি সহনশীলতা ও সম্মান দেখিয়েছে। পাশাপাশি ধর্মীয় বিদ্বেষ থেকে ঘৃণা, যুদ্ধ বিগ্রহের ব্যাপারটাও উঠে এসেছে।

নর্ডিক এবং ইংরেজ সমাজে অনেক প্রথা এবং ব্যবস্থা প্রচলিত ছিলো যেটা ইসলাম ধর্মে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

কারণ অমন ব্যাবস্থা বা বিশ্বাসের মাধ্যমে সাময়িক ক্ষমতা বা ইন্দ্রিয় সুখ লাভ করা গেলেও দীর্ঘ জীবনে তা যথেষ্ট বাজে প্রভাব ফেলে।

১
ভাইকিংস সিরিজের দৃশ্য

ক্ষমতা বা সাময়িক সুখ অকার্যকর, যখন ব্যক্তিজীবনে অতীত বুমেরাং হয়ে অশান্তির সৃষ্টি করে।

ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যে কিং আলফ্রেডকে বলা হয় “ফাদার অব ইংলিশ প্রোজ।” তিনিই সর্বপ্রথম বাইবেলের ইংরেজি অনুবাদ করেন৷ এই ঘটনা গুলোও সিরিজে আকারে ইঙ্গিতে দেখানো হয়েছে৷

অন্যান্য ইউরোপীয়ান জাতি থেকে ইংরেজরা যথেষ্ট আলাদা। পরবর্তীতে ফ্রান্সের সাথে হান্ড্রেড ইয়ার্স ওয়ার, প্রোটেস্ট্যান্ট/পিউরিটান আন্দোলন, বিভিন্ন রাজার শাসন ও রেঁনেসায় তারা নিজেদের আলাদাভাবেই প্রতিষ্ঠিত করেছে গৎবাঁধা ইউরোপীয়ান ধারা থেকে।

ইংরেজদের এই ভিন্নধারায় চিন্তা করার প্রবণতা, অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়া, রোমানদের ফেলে যাওয়া নথিপত্র, ল্যাটিন ভাষা থেকে জ্ঞ্যান বিজ্ঞানের অনুবাদ করে তা দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কুসংস্কারাচ্ছন্ন প্রথার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর মতো ব্যাপারগুলো কিং একবার্ট, এবং পরবর্তীতে কিং আলফ্রেডের মাধ্যমে বিষদভাবে চর্চা শুরু হয়। যেটা সিরিজে দেখানো হয়েছে।

সব মিলিয়ে যথেষ্ট রোমাঞ্চকর, এবং জনপ্রিয় সিরিজ “ভাইকিংস।”

নিজেদের ধর্ম, দেশ, জাতি, রীতিনীতি সম্পর্কে সঠিক জ্ঞ্যান থাকা অনেক ইম্পর্টেন্ট একটা ব্যাপার। এবং একইসাথে শত্রুদের ব্যাপারেও সঠিক ধারণা থাকতে হবে। নয়তো নিজেদের চেনা যাবে না।
নাহয় অতীতের কুসংস্কারাচ্ছান্ন পাদ্রীদের মতো ডমিনেটিং শক্তির দেখানো ভ্রান্ত থিওরীকেই মহান ভাবতে হবে।

লেখক: Ataul Hoque Nasim